Skip to main content

Posts

Welcome to Bong Photography blog!

ফটোগ্রাফি, আর ক্যামেরার খুঁটিনাটি! এখন বাংলায়। সোজা, এবং সহজ ভাবে। অমিত | সুমন | অমিত
Recent posts

Prime Lens পরিচিতি

ক্যামেরা কেনার সময় একটা লেন্স আপনি প্রায় ফ্রী তেই পেয়ে থাকেন। 18 -55 Kit লেন্স। এটা একটা বেসিক লেন্স হলেও ফটোগ্রাফি তে হাত যশ এর জন্যে একটা prime lens থাকা বিশেষ দরকারি। কেন তা নিয়েই বিশদে বলছি। Prime lens হলো সেগুলো যাদের zoom করা যায় না। অর্থাৎ ফোকাল lenth fixed। সেক্ষেত্রে আপনি এক জায়গাই দাঁড়িয়ে আপনার সাবজেক্ট এর ছবি তোলারসময় zoom করে ছবি তুলতে পারবেন না। তাকে বোরো দেখাতে হলে আপনাকে আগে যেতে হবে। কিন্তু prime lens এর অনেকগুলি সুবিধা রয়েছে,যার জন্যে প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার রা এই লেন্স গুলোকেই প্রাধান্য দেন।  প্রথমত, prime লেন্স এ zoom না থাকার ফলে size এ ছোট এবং ওজনেও হালকা।  দ্বিতীয়ত, prime লেন্স simple হওয়ায় এখানে aparture একই price range এর zoom লেন্স এর থেকে অনেক বেশি। যেখানে 18- 55 লেন্স এর aparture hole সবোর্চ্চ f/3.5, সেখানে 50mm এর aperture value f/1.8. সেক্ষেত্রে ছবিতে bokeh এফেক্ট এর জন্য এটি একটি উত্তম লেন্স। যেহেতু aparture hole বড়ো, তাই আলো অনেক বেশি প্রবেশ করবে। তাই low light ফটোগ্রাফির জন্যে prime lens zoom লেন্স এর থেকে ভালো। তৃতীয়ত, prime le...

Depth of field - Concept

Photography  ক্ষেত্রে depth of field একটা বিস্তৃত বিষয়। গাণিতিক এবং বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা মিলিয়ে একটা কঠিন সংজ্ঞাও দার করানো যেতে পারে! সে যায় হোক, সহজ ভাষায় শুরু করা যাক। আপনি ক্যামেরার ভিউ ফাইন্ডার দিয়ে যতটুকু অংশ দেখতে পান, তাকে বলা হয় ফিল্ড। এখন আপনি decide করবেন, তার কত টুকি অংশ কে আপনি স্পষ্টভাবে দেখতে চান বা focus করতে চান বাকি জায়গা টাকে blur করে। অর্থাৎ ধরুন একটা পোট্রেট ছবিতে আপনি চান মানুষ টাকে স্পষ্ট দেখিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড ঝাপসা করতে। এক্ষেত্রে মানুষটি পথবা যে অংশটুকু স্পাত দেখা যাচ্ছে, তাকে বলা হয় depth of field। এখন হতে পারে আপনি শুধু মানুষটি ছাড়াও অর্প আসে পাশের জিনিস গুলিকেও হাইলাইট করতে চান। সেক্ষেত্রে সেটাকে বলা হয় thin depth of field / deep depth of field. অন্যদিকে যখন খুব ছোট্ট একটি অংশ কে আপনি ফোকাস এ আনবেন, তাকে বলা হয় shallow depth of field, অর্থাৎ অগভীর। Practically, পোট্রেট তোলার ক্ষেত্রে আপনি চাইবেন না, ব্যাকগ্রাউন্ড এর জিনিসপত্রও আপনার ছবিতে ভিড় করুক। সেক্ষেত্রে আপনাকে shallow depth of Field আনতে হবে। আর যখন আপনি landscape ছবি তুলবেন, তখন আপনি wide depth of...

অটো vs ম্যানুয়াল মোড

ছবির ক্ষেত্রে সবচেয়ে দরকারি উপাদানগুলি হলো আলো আর রং। ছবিতে যত বেশি রং সঠিক উজ্জ্বলতার থাকবে, ছবি দেখতেও ততই সুন্দর হবে (যদিও এমন টা সবক্ষেত্রে নয়। সাদা কালো ছবিও অসামান্য হয়ে ওঠে composition এর দৌলতে।)  এখন, ক্যামেরার একটি নিজস্ব ব্রেইন আছে। আপনি কোনো সাবজেক্ট এর দিকে তাক করলেই সে তার পচন্দসই ছবি ফোকাস করে নেবে। এখন আপনি ক্লিক করলেই ছবি উঠে যাবে। সেক্ষেত্রে ক্যামেরা নিজেই আলোর সেটিং করে নেবে, ফোকাস করে নেবে আরো যা যা আপনি নিয়ন্ত্রন করতে পারতেন, ক্যামেরা নিজেই আপনার জন্যে সে সব করে দেবে। Auto mode এ ছবি তোলা মানে এক ক্লিক এ ছবি,আর কি!! এখন যদি ক্যামেরা নিজেই সব কিছু করতে পারে, তাহলে ম্যানুয়াল mode এর দরকার কি! কারণ টা হলো, আপনার নিজস্ব একটা ব্রেইন আছে। তার আলাদা চাহিদা, দৃষ্টিভঙ্গী, আলাদা উদ্দেশ্য রয়েছে। তাতে করে ছবি টা হয়তো আপনি আলাদা করে তুলতে চাইবেন। হতে পারে আলোর মাত্রা কমিয়ে বা বাড়িয়ে ফোকাস এর বস্তুর পরিবর্তন করে, বা আরো অনেকরকম চেঞ্জ করে। এখন আপনার চাহিদা ক্যামেরা থোড়াই বুঝবে!! অগত্যা manual mode! Manual mode এ ছবি তোলার সবচেয়ে বড়ো উদ্দেশ্য এটাই। আপনি নিজের ...

মোবাইল থাকতে dslr কেন?

বর্তমানে এমন সব মোবাইল ক্যামেরা আছে তাতে dslr মায়া আপনি ছাড়তেই পারেন। তবে কিনা DSLR যদি একবার ব্যবহার করতে শুরু করেন, তবে তার প্রেমে পরে যাবেন! আমরা প্রাথমিক ভাবে point & shoot ক্যামেরা ব্যবহার করতাম। তাতে অসুবিধা গুলো হলো সেন্সর size ছোট, তাই ছবির কোয়ালিটি তত ভালো নয়, যতটা dslr এ আসে। তাছাড়া dslr এ লেন্স পাল্টানো যায়, যা এমনি ক্যামেরাতে যায় না। মনে রাখবেন, ক্যামেরা তে মেগা পিক্সেল টাই একমাত্র বিষয় নয়। তাই যার যত MP বেশি, সে ক্যামেরা তত ভালো, এই ধারণা ভুল। অমিত | সুমন | অমিত

Exposure Triangle

ছবিতে সবচেয়ে দরকারি জিনিসটি হলো আলো। আলোর ভারসাম্য সঠিক থাকলে তবেই ছবিটি সুন্দর মাত্রা পায়। আলোর ভারসাম্য অর্থাৎ Exposure । বাইরের আলোর সংস্পর্শে এসে আপনার ক্যামেরার সেন্সর কতটা expose করবে নিজেকে তাই হলো exposure। Dslr এ exposure control করা হয় তিনটি option দিয়ে। Shutter speed - অর্থাৎ আপনার ক্যামেরার shutter (লেন্সের দরজা) ঠিক কতক্ষন ধরে খোলা থাকবে। স্পীড যত বেশি হবে তত তাড়াতাড়ি shutter বন্ধ হবে, এবং ততো কম আলো লেন্স এ প্রবেশ করবে। আর স্পীড কম হলে অনেক আলো। যদি আপনি খটখটে দুপুরবেলায় ছবি তোলেন, আপনার shutter speed অনেক বেশি করতে হবে, না হলে ছবি জ্বলে যাবে। আবার যখন প্রায় অন্ধকার জায়গায় ছবি তুলবেন, স্পীড কমিয়ে রাখলে আলো অনেক বেশি আসবে। তবে তাতে ছবি কেঁপে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি! Apparture এটা একটা জটিল function। সহজ ভাষায় বলতে গেলে আমাদের চোখের মনি (pupil) যে কাজ গুলো করে তার সাথে এর অনেক মিল আছে। বাইরের আলো লেন্স এ প্রবেশ করার পথে একটা গোল চাকতি থাকে। যার মাঝখানে থাকে একটা ফুটো। এই চাকতি ঘুরিয়ে ফুটো টিকে ছোট বা বড়ো করা যায়। চাকতি টা তৈরি হয় কতগুলো ব্লেড দিয়ে, যাদের app...

DSLR কি এবং কেন?

DSLR শুনলেই মন টা কেমন ফটোগ্রাফার ফটোগ্রাফার হয়ে ওঠে! চালাতে জানি কিংবা না, সেটা ইম্পরট্যান্ট নয়, তবে থাকলে মন্দ হয় না আর কি!  Dslr মানে Digital Single Lense Reflex। ডিজিটাল মানে সেই ফিল্মের রোল এর পাট চুকিয়ে রীতিমতো ডিজিটাল সেন্সর এ ধরা পড়া আলো থেকে ছবি আসবে মেমোরি কার্ড এ। Single lense অর্থাৎ dslr আসার আগে ক্যামেরা তে দুটো লেন্স থাকতো। একটি থেকে ছবি উঠতো,আর একটা থেকে আমরা ছবির সাবজেক্ট কে দেখতাম। কিন্তু সমস্যা হলো, লেন্স গুলো উপরে নিচে থাকার জন্য আমরা যা দেখতাম ঠিক সেইটার ছবি উঠতো না। উঠতো একটু উপরে নিচে। তাই, বর্তমান প্রযুক্তি তে একই লেন্স এ আমরা দেখিও, আর ছবিও সেই লেন্স থেকেই ওঠে। তাই single lens। আর রিফ্লেক্স বলা হয় কারণ, ক্যামেরার লেন্স থেকে আয়নার মাধ্যমে রিফ্লেক্স ঘটিয়ে আলো ভিউ ফাইন্ডার থেকে দেখতে পাওয়া যায়। অর্থাৎ দ্বিতীয় লেন্স এর ব্যবহার বন্ধ করে প্রথম লেন্স থেকেই আয়নার মাধ্যমে দেখার প্রচেষ্টা। অমিত | সুমন | অমিত